Recent post

সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

কুশ কুশে কাশি


ঠাণ্ডায় কাশি হয়েছে!
কিছুক্ষণ পরপর ‘খকখক’, ‘খকখক’ করতে করতে বিরক্ত! পরিত্রাণের জন্য রয়েছে সহজ পন্থা।

শুকনা কাশি সারানোর জন্য রয়েছে বেশ কিছু ঘরোয়া টোটকা। 
স্বাস্থবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট অবলম্বনে সেসব পন্থা এখানে দেওয়া হল।

লবণ-পানি দিয়ে গড়গড়া: 
এক কাপ পানি কুসুম গরম করে তাতে এক চিমটি লবণ ছড়িয়ে দিন। এই লবণ মেশানো পানি দিয়ে গড়গড়া করলে দ্রুত ফল পাবেন।

মধু: 
মাত্র এক চামচ মধু রাতের বেলার বিরামহীন কাশি উপশম করবে। ধারণা করা হয় মধু গলা আর্দ্র করে এবং কাশি কমায়।

আদা চা:
 রাতে শুতে যাওয়ার আগে আদা চা পান করলে কাশি কমে আসবে। সবুজ চা-ও বেশ কার্যকর।

মাথা উঁচুতে রেখে শোয়া: 
কাশি হলে শোবার সময় মাথা কিছুটা উঁচুতে রেখে শুতে হবে। এজন্য অতিরিক্ত বালিশ ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি কাশির অস্বস্তি ও যন্ত্রণা উপশমে সাহায্য করে।

'বাম' লাগান:
 নাসারন্ধ্র পরিষ্কার রাখতে নাকের ওপর বাম লাগানো যেতে পারে। এটি কিছু সময়ের জন্য কাশি থেকে মুক্তি দেবে।

রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

Samsung Galaxy J7 Wifi

Samsung Galaxy J7 is an affordable sub-15k smartphone by Samsung, featuring average to above average specifications; 
Samsung is finally making attempts to fill in the gap between brand reliability, performance and affordability.

But, smartphone has a persistent WiFi Issue that forces it to constantly connect and disconnect from the network and people have reported it to be quite irritating at moments. 
But, I have a solution for you guys, and it will return your smartphone functioning to normal just after a few clicks. Here you go:
1) Go to the Dialer app.
2) Type in *#0011#
3) Secret Service menu will open.



4)Go to three dots overflow, click on WiFi.

4) You’ll be greeted by WiFi Stats with WiFi Power Saver Mode.



5) Turn WiFi power saver mode OFF.

6) From now, you won’t expereince any WiFi issue whatsoever.


How did you like this article? Was this helpful? Did it actually help your Galaxy J7? Let us know in the comment section below.

বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬

Bangladesh Hero Alam News



বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন ‘হিরো আলম’। এবার শুধু দেশেই নয়, পাশের দেশ ভারতেও তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব ভারতীয়রা হিরো আলমকে বাংলাদেশের ‘সুপারস্টার’-এর তকমা দিয়ে দিয়েছেন। এমনকি এই তকমার ভিত্তিতে ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যমও তাঁকে নিয়ে প্রতিবেদন করতে শুরু করেছে।
দেশের বাইরে হিরো আলমের নাম ছড়িয়ে পড়ে যখন তিনি ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ছবি তোলেন এবং এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে একটি পত্রিকা। 
সেই ছবি ও প্রতিবেদনের জের ধরে ১৬ ডিসেম্বর বিবিসি হিন্দি প্রতিবেদন প্রকাশ করে হিরো আলমকে নিয়ে। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি একে একে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদমাধ্যমগুলোতেও তিনি খবরের শিরোনাম হন। 
জি নিউজ, এনডিটিভি, ডেইলি ভাস্কর, মিড-ডের মতো প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমগুলো তাঁকে নিয়ে প্রতিবেদন করে। 
সেখানে অনেকেই হিরো আলমকে বাংলাদেশের বিনোদনজগতের অন্যতম তারকা বলে অভিহিত করেন। তাঁরা বলেন, এ পর্যন্ত ৫০০ মিউজিক ভিডিও এবং র‍্যাপ গান তৈরি করেছেন হিরো আলম।
 তাঁর ফেসবুকের অনুসারীর সংখ্যার ওপর ভিত্তি করেও ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো তাঁকে তারকা বলে ধরে নিয়েছে। এ জন্যই মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে গুগলে হিরো আলমকে সালমান খানের চেয়ে বেশিবার খোঁজা হয়েছে। 
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে হিরো আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমিও শুনেছি। এ জন্যই বিদেশ থেকে ভক্তদের ফোন আসছে অনেক।’
তবে এ ধরনের প্রচারের কারণে বাংলাদেশের শিল্পীদের ব্যাপারে যে নেতিবাচক বার্তা ভারতে যাচ্ছে, তা নিয়েও হচ্ছে সমালোচনা। 
টুইটার ও ফেসবুকে ‘হিরো আলম’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে অনেকেই শেয়ার করছেন নানা ধরনের আপত্তিকর কৌতুক। 
এর সঙ্গে অনেকে আবার হ্যাশট্যাগ দিয়ে ‘বাংলাদেশ’ ও ‘বাংলাদেশি অ্যাক্টর’ প্রসঙ্গটিও জুড়ে দিচ্ছেন। হিরো আলমের সঙ্গে ভারতীয়দের কৌতুকের সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও দেশের শিল্পীদের ভাবমূর্তিও। ইউটিউবে প্রকাশিত হিরো আলমের মিউজিক ভিডিওতে তাঁর ব্যক্তিত্ব, অভিব্যক্তি ও বাচনভঙ্গি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতীয় বিভিন্ন পেজ ও গণমাধ্যম রসিকতা করছে।
 গুটি কয়েক গণমাধ্যম হিরো আলমকে ‘সামাজিক মাধ্যমের তারকা’ বলে আখ্যায়িত করছে বটে, কিন্তু অধিকাংশ মানুষই তাঁকে বাংলাদেশের বিনোদনজগতের তারকার কাতারেই ফেলছে এবং গুগলে তাঁকে খুঁজেই যাচ্ছে।এই খোঁজাখুঁজিতে হিরো আলম হয়তো বহুদূর যেতে পারবেন, কিন্তু এতে বাংলাদেশের শিল্পীদের ভাবমূর্তি বাইরের দেশে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আলোচিত হয়ে উঠতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক ব্যক্তিত্ব। 
সেই শঙ্কার কথাই জানালেন গণমাধ্যম বিশ্লেষক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর। 
তিনি বললেন, ‘এগুলো হচ্ছে ভারতে আমাদের চ্যানেল দেখা না যাওয়ার প্রভাব এবং আমাদের সিনেমা সেখানে নিয়মিত প্রদর্শিত না হওয়ার প্রভাব। যেকোনো লোক যেকোনো কিছু ক্লেইম করতে পারে। সমস্যাটির সমাধান হতে পারে ওই দেশে আমাদের টিভি অনুষ্ঠান-সিনেমা নিয়মিত প্রদর্শিত হলে।
 নইলে এ রকম বহু হিরো আলম বের হবে ভবিষ্যতে।’
উল্লেখ্য, বগুড়া জেলায় স্থানীয় কেব্‌ল সংযোগ স্থাপনের ব্যবসা রয়েছে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের। 
সেই সুবাদেই তিনি নিজের স্থানীয় সংযোগগুলো প্রচারের জন্য কিছু মিউজিক ভিডিও তৈরি করেছিলেন বিভিন্ন সময়। যা এ বছরের মাঝামাঝি সময়ে ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়ে। 
দেশজুড়ে হিরো আলমের ভিডিও নিয়ে কৌতুক শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় তাঁর ভিডিও নিয়ে হয় ট্রল ও মিম। 
কিন্তু এখন দেশের বাইরেও বাংলাদেশের শিল্পীদের প্রতিনিধি হিসেবে হিরো আলমের নাম ছড়িয়ে পড়ায় সেই কৌতুক শঙ্কায় পরিণত হচ্ছে।

নবজাতকের যত্ন



শিশু জন্মের পর অনেক মা এবং পরিবারের সদস্যদের দেখা যায় তার যত্ন ও পরিচর্যা নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়ে যেতে।
 এ সময় সঠিক যত্ন না পেলে শিশুটির বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। আজ ২৩ মার্চ এনটিভির স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২০১৪তম পর্বে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ডা. সাঈদা আনোয়ার।

প্রশ্ন : নবজাতক বলতে আমরা কী বুঝি?

উত্তর : চার সপ্তাহের মধ্যে যে বাচ্চার বয়স সে নবজাতকের মধ্যে পড়ে।

প্রশ্ন : নবজাতকের যত্ন ও পরিচর্যা কখন থেকে শুরু হওয়া উচিত এবং কী কী ধরনের হবে?

উত্তর : এটি আসলে জন্মের সঙ্গে সঙ্গে হওয়া উচিত। তবে এর আগে থেকেই বিষয়টি অনেকটা শুরু হয়ে যায়। শিশু পেটে থাকতেই মাকে অ্যান্টিনেটাল পরামর্শ দিতে হবে, চেকআপে থাকতে হবে। তখন থেকেই আসলে বাচ্চার যত্ন শুরু হয়। এ সময়টায় মাকে শেখাতে হবে বাচ্চার জন্মের পর পর মা শিশুটিকে কী খাওয়াবেন। মা বাচ্চার জন্য কী করতে পারেন। প্রথম থেকে যেটি শিশুর পরিচর্যার জন্য দরকার, শিশুর পুষ্টির দরকার, সেটি হলো মায়ের বুকের দুধ। দুধটা যেন বাইরের না হয়। বাচ্চা হওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এক ঘণ্টার মধ্যে আমরা দুধ খাওয়াতে বলি। মায়ের যে শালদুধ বের হয়, সেটি কোনোভাবেই ফেলে দেওয়া উচিত না। শালদুধ বাচ্চার জন্য প্রথম টিকা। যেহেতু ওখানে প্রোটিন বেশি, রোগ প্রতিরোধক্ষমতার জন্য যে বিষয়গুলো দরকার সেটিও বেশি।

প্রশ্ন : কত বয়স পর্যন্ত শুধু বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত?


উত্তর : ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শুধু বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত। ছয় মাস বয়সের পর থেকে বুকের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার দিতে হবে।

প্রশ্ন : অনেক ক্ষেত্রে দেখো যায় শিশু জন্মের পর মধুর মতো মিষ্টি কথার জন্য মধু বা চিনির পানি খাওয়ানো হয়, এগুলোকে কতটা যৌক্তিক বলে মনে করেন?

উত্তর : এগুলোর আসলে কোনো যুক্তি নেই। এগুলো বাচ্চার জন্য দরকার নেই। বাচ্চার জন্য দরকার হলো মায়ের দুধ। এটাই প্রকৃতগতভাবে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তাই বুকের দুধের সঙ্গে কোনো কিছুরই তুলনা হয় না। বুকের দুধের মধ্যে পানি রয়েছে। কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, চর্বি সব রয়েছে। মিনারেলস, ভিটামিন এসবও আছে। যেখানে একটু পানিরও দরকার পড়ে না।

প্রশ্ন : ছয় মাস পর থেকে অনেকে চিন্তার মধ্যে থাকে কী খাবার দেব?


উত্তর : তখন অবশ্যই বাড়তি খাবার দিতে হবে। বাড়তি খাবার মানে ঘরের খাবার, সলিড ফুড। নইলে অপুষ্টি হয়ে যাবে।

প্রশ্ন : গরুর দুধ, টিনের দুধ খাওয়ার প্রবণতা আসলে কতটুকু ঠিক?


উত্তর : এটা একদমই ঠিক না। মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। আর বাড়তি খাবারের কথা যেটা বলছিলাম, তখন নরম জিনিস খাওয়াতে হবে। যেমন : ফলের জুস দিতে পারে। কমলার রস দিতে পারে। কলা খাওয়াতে পারে। ডিমটা আধা সিদ্ধ করে দিতে পারে। প্রথমে ডিমের কুসুম শুরু করবে। তারপর ধীরে ধীরে সাদা অংশ খাওয়া শুরু করবে। যেহেতু প্রোটিন তাই অ্যালার্জি হতে পারে। একসাথেই সব কিছু খাওয়াবে না। ধীরে ধীরে একটার পর একটা খাওয়াবে। এরপর চাল, ডাল, তেল মিলে খিচুড়ি খেতে দিতে হবে। অনেক মায়েরা রয়েছেন, যাঁরা শিশুকে সেরেলাক খাওয়ান। সেরেলাক ডাল, সেরেলাক ভাত ইত্যাদি খাওয়ায়। জিজ্ঞেস করলে বলে, ওখানে তো সব পুষ্টি রয়েছে ম্যাডাম। সেগুলো মূলত কমার্শিয়াল খাবার। আমরা যেটা দেব ওখানে তো সেই জিনিসগুলো নেই। তাই পুষ্টিসম্পন্ন ঘরে তৈরি খাবার দিতে হবে।

প্রশ্ন : নবজাতকের যত্নের মধ্যে গোসল খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। কখন থেকে এই গোসল শুরু করতে হবে। কীভাবে গোসল করাতে হবে সেটিও সবাই পুরোপুরি জানে না। কী মনে করেন আপনি?


উত্তর : আসলে নবজাতককে গোসল করাতে হবে এট খুবই ঠিক। তবে শিশু জন্মের পরপরই যে গোসল করাতে হবে সেটিও নয়। এতদিন শিশুটি মায়ের গর্ভে ছিল, একটা উষ্ণতার ভেতর ছিল। বাইরের বাতাসের সঙ্গে সমন্বয় করতে তার একটু সময় লাগবে। তাই আমরা বলি সঙ্গে সঙ্গে গোসল না করাতে। ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পরে গোসল করতে পারে। পানির মধ্যে স্যাভলন, ডেটল এসব জিনিস দেওয়ার দরকার নেই। কুসুম গরম পানি দিয়ে যেই ঘরে হাওয়া বাতাস নেই এ রকম জায়গায় গোসল করাতে হবে।

প্রশ্ন : শিশুটিকে যেই ঘরটিতে রাখবে, এর পরিবেশ কেমন হবে?


উত্তর : বাইরের বাতাস বেশি আসে এ রকম ঘরে শিশুটিকে না রাখাই উচিত। এক সপ্তাহ ধরে অন্তত শিশুটি ওই বাতাস সহ্য করতে পারবে না। বাচ্চাকে পাতলা কাপড় পরাতে হবে। বেশি ঘামতে দেওয়া উচিত না। কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে রাখাটা আমাদের দেশের জন্য প্রযোজ্য না। শীতপ্রধান দেশে প্রযোজ্য।

প্রশ্ন : নবজাতকের নাভি নিয়েও অনেক কুসংস্কার রয়েছে। এটি নিয়ে কী বলবেন?

উত্তর : নাভি নিজে নিজেই পড়ে যায়। নাভিকে ফেলতে হয় না। কিছু করতে হয় না। এমনিতেই শুকিয়ে যায়। তবে এখন আমরা প্রথম অবস্থায় বলি একবার একটু হেক্সিসল দেওয়ার জন্য। তারপর আর কিছু না দিলেও হয়।

সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

বুকের দুধ


সন্তান জন্মানোর পর নতুন মায়েরা এমনিতেই উদ্বিগ্ন থাকেন। এই উদ্বেগ আর অস্থিরতা থেকে প্রায় সময় মায়েরা বলেন যে, তাদের সন্তান ঠিক মতো দুধ পাচ্ছে না।
 অনেকে আবার মনে করেন সিজারিয়ান অপারেশন করালে বুকের দুধ দেওয়া যাবে না। এটা একেবারেই ভুল ধারণা। প্রসবের পর নতুন মা ও নবজাতক শিশু উভয়ের কাছে বুকের দুধ সঠিকভাবে পান করানোর বিষয়টি রপ্ত করতে কিছুটা সময় লাগে। 
যথেষ্ট সময় নিয়েও যদি শিশু বুকের দুধ পান করতে না পারে, তখনই মায়েদের সাহায্য করতে হবে। যত দিন শিশু বুকের দুধ খেতে না চায়, তত দিন শিশুকে বুকের দুধ টিপে বের করে কাপে বা চামচে করে খাওয়াতে হবে।
কখনো বা দেখা যায়, শিশু কিছুতেই মায়ের বুকে যেতে চাইছে না বা মায়ের দুধ খেতে চাইছে না। মা যখনই বুকে নিতে চান, অমনি শিশু কান্নাকাটি করে। 
শিশুকে দুধ পান করানোর সময় মা বা অন্য কেউ যদি শিশুর মাথা পেছন থেকে বুকে চেপে রাখে বা সে চেষ্টা করে, শিশু তখন বিরক্তি বোধ করে। পরবর্তী সময়ে এই শিশু আর মায়ের বুকে যেতে চায় না।
 শিশুকে জোর করে খাওয়ানো থেকে কিছুক্ষণের জন্য অব্যাহতি দিতে হবে। পরে সঠিক নিয়মে চেষ্টা করতে হবে।

যদি কোনো শিশুকে চুষনি বা বোতল দেওয়া হয়, তাহলে শিশু নিপল ও স্তনের বোঁটা দিয়ে দুধপানে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগে। বোতলের নিপলে একটু চাপ লাগাতেই দুধ পেয়ে যায়।
 অথচ স্তনের বোঁটা চুষে টেনে পরিশ্রম করে খেতে হয়। উপরন্তু টিনের দুধ বুকের দুধের চেয়ে বেশি মিষ্টি। ফলে শিশু আর মায়ের দুধ খেতে চায় না।

মাকে যতটুকু সম্ভব বেশি পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার (যেমন- মাছ, ডিম, দুধ প্রভৃতি) খেতে হবে। 
অতিরিক্ত দুধ তৈরিতে যে খাবারগুলো সরাসরি সহযোগিতা করে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে গাজর, শিম, বাদাম (চীনাবাদাম, কাজুবাদাম), কালোজিরার ভর্তা, লাউ, ডুমুর, পালংশাক, কলমিশাক, টমেটো প্রভৃতি। বুকের দুধ বাড়ানোর জন্য লেকটোহিল নামের দুধ পাওয়া যায়।

‘হলিসিড’ নামের কালাজিরার ক্যাপসুলও পাওয়া যায়। ফার্মেসি থেকে এই দুধ কিংবা ক্যাপসুল কিনে খেলে অনেক ক্ষেত্রে উপকার পাওয়া যায়।

কিছু পরামর্শ

বুকের দুধ বাড়াতে আরো কিছু পরামর্শ এখানে তুলে ধরছি -
* স্তনের বোঁটাকে শিশুর জন্য পাঁচ মিনিট করে চুষতে দিতে হবে, একেবারে একফোঁটা দুধ না এলেও এই কাজটা নিয়মিত করেই যেতে হবে। একবারে ১০-২০ মিনিট বা তারও বেশি সময় ধরে দুধ দেবেন।

* বাচ্চাকে যত ঘন ঘন দুধ দেবেন তত বেশি দুধ আসতে থাকবে। বাচ্চা যদি খুব কম দুধ পান করে সে ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে দুধ চিপে ফেলে দেবেন।

* একবারে এক স্তন থেকেই দুধ খাওয়াতে হবে। দুই দিক থেকে খাওয়াবেন না। কারণ, প্রথম দিকের দুধে পানির পরিমাণ বেশি থাকে আর শেষ দিকের ঘন দুধে পুষ্টি বেশি থাকে। এতে বাচ্চার পেটও ভরে। কিন্তু অর্ধেক খাওয়ানোর পর পরিবর্তন করে আরেক দুধে চলে গেলে বাচ্চা শেষ দিকের পুষ্টিকর দুধ থেকে বঞ্চিত হয়।

* শিশু স্তন চুষবার সময় মাকে অবশ্যই নিরুদ্বিগ্ন এবং চিন্তামুক্ত থাকতে হবে। শিশু যদি মায়ের বুক না টানতে চায় তবে জোরাজুরি করা উচিত নয়। বরং নিরিবিলি ঘরে বসে মা আস্তেআস্তে তার মাথায় হাত বুলিয়ে কথা বলে ধৈর্যের সাথে চেষ্টা করবেন। যখন সে মুখ হা করবে তখন শিশুকে বুকের সাথে মিশিয়ে ধরতে হবে। মায়ের শিশুর দিকে ঝুঁকে যাওয়ার দরকার নেই।

*কোনো কারণে যদি বুকের দুধ খাওয়ানো সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে তবে মা যখনই আবার খাওয়াতে চাইবেন তখনই শিশুকে বুকের দুধ টানাতে হবে। শিশু চুষলেই আস্তে আস্তে আবার আগের মতো দুধ আসবে।

* কোনো অবস্থাতেই শিশুর মুখে বোতল বা চুষনি দেওয়া উচিত নয়। তাহলে শিশু তার মায়ের স্তনের বোঁটা মুখে নিতে চাইবে না। সে ওই নরম রাবারের বোঁটা বেশি পছন্দ করবে।

* মাকে পর্যাপ্ত খাবার দিতে হবে। তার ঘুম ও বিশ্রামের ব্যাঘাত ঘটানো যাবে না। স্তন্যদানের ১৫ মিনিট আগে মা দুই গ্লাস পানি পান করে নিলে স্তন্যদান সহজ হবে।

* বেশি পরিমাণে জোরে দুধ এলে খাওয়ানোর সময় চোখেমুখে দুধ ছিটিয়ে পড়ে, তাই শিশুকে খাওয়ানোর আগে কিছুটা দুধ টিপে ফেলে নিতে পারেন। এতে বোঁটাও তার নিজের আকার ফিরে পাবে। শিশুর বোঁটাসহ কালো অংশ ধরতে সুবিধা হবে।

* মাকে সম্পূর্ণ নিশ্চিত করা অভিভাবকদের দায়িত্ব হিসেবে নিতে হবে। তাকে কখনোই তিরস্কার বা হতাশ করা যাবে না।

* ডেলিভারির দুই সপ্তাহ পর এসব ব্যবস্থা নেওয়ার পরও যদি মায়ের বুকে পর্যাপ্ত দুধ না আসে বা কম আসে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে প্রায় সময় দেখা যায় ওপরের নিয়মগুলো পালন করলে আর এক থেকে দুই সপ্তাহ ধৈর্য ধরলে এমনিতেই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। এ সময় শিশু কম দুধ পাচ্ছে বলে উদ্বিগ্ন হয়ে কৌটার দুধ দেওয়া হবে আত্মঘাতী। কারণ, প্রথম দিকে এমনিতেই শিশুর চাহিদা কম থাকে আর একবার কৌটার দুধ দিলে তাকে বুকের দুধ খাওয়াতে খুব কষ্ট হয়। আজকাল সরকারি হাসপাতালগুলোতে এবং ক্লিনিকেও ‘ব্রেস্ট ফিডিং কাউন্সেলিং’-এর জন্য আলাদা সেন্টার বা বুথ থাকে। এসব স্থানে গিয়ে মায়েরা সাহায্য চাইতে পারেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

বেশি ক্ষতি হয় দাঁতের



শীতকালে মসলাযুক্ত ও পানিজাতীয় খাবার বেশি খাওয়া হয়। আর এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় দাঁতের। অনেক সময় দাঁতের যত্ন নিতে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দাঁত মাজি। কিন্তু বেশি সময় ধরে দাঁত মাজলে ক্ষতিই হয়।

আইএএনএসের খবরে বলা হয়েছে, আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের (এডিএ) বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতকালে দুই থেকে তিন মিনিটের বেশি সময় ধরে দাঁত মাজবেন না। মুখকে শরীরের প্রতিবিম্ব বলা হয়। আর এ কারণেই দাঁতের যত্ন সব সময় নিতে হয়। বেশি সময় ধরে দাঁত ব্রাশ করলে ক্ষতি হতে পারে। এ ছাড়া কার্বনেটেড পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কাজ করলে শীতকালে বিস্ময়কর ফল পাবেন।

ক্লোভ ডেন্টালের অতিথি পরামর্শক সাগ্রিকা শুক্লা বলেন, এই শীতে দাঁতের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন। শরীরের অন্যান্য অংশের মতোই দাঁতেরও যত্ন নিতে হবে।

মার্কিন ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন বলছে, দাঁত মাজতে হবে, কিন্তু দীর্ঘ সময়ের জন্য নয়। দুই থেকে তিন মিনিটের বেশি সময় ধরে দাঁত মাজা যাবে না। কারণ, বেশি সময় ধরে মাজলে দাতে সংবেদনশীলতা তৈরি হতে পারে।

শীতকালে মানুষ একটু বেশি খায়। কিন্তু এ সময় অনেকে কার্বনেটেড পানীয়ের বদলে গরম পানীয় খেতে পছন্দ করেন, যা দাঁতের ক্ষয় হতে পারে। শীতকালে ছুটির দিনগুলোতে মসলাযুক্ত খাবার এবং চুমুক দিয়ে খাবার খাওয়া হয়। আর এতে কিছু কণা দাঁতের ফাঁকে জমে যায়। তাই তা পরিষ্কার করার জন্য হালকা কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে মুখে দিয়ে কুলকুচি করতে হবে। এতে দাঁতের ব্যথা উপশম হয় দ্রুত। শীতকালে দাঁতের যত্ন নিতে চিনি খাওয়া কমাতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

Earn Money

Hi,
would you like to earn money by trying new free apps and games?

1.) Install CashPirate from https://play.google.com/store/apps/details?id=com.ayet.cashpirate

2.) Enter my referral code "👉VHIWXC👈" at signup.👌

3.) You get +50% coins for the first 1000 coins you earn (= 500 coins bonus) and can start making money right away!

Popular Posts