Recent post

শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭

শিশুদের খিদে লাগলেই কেবল তাদের খাওয়ানো উচিত

শিশুদের খাওয়ানো নিয়ে মা-বাবারা সব সময় উদ্বিগ্ন।
 শিশু যথেষ্ট খায় না, শিশু অপুষ্টির শিকার হয়ে যাচ্ছে বা শিশু যথেষ্ট স্বাস্থ্যবান নয়—এসব ভেবে অভিভাবকেরা বারবার জোর করে শিশুকে খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। 
এতে পরে শিশু স্থূলকায় হয়ে পড়তে পারে, আবার খাবারের প্রতি অনীহাও বাড়তে পারে। 
গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুদের খিদে লাগলেই কেবল তাদের খাওয়ানো উচিত; এতে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা নেই। 
আর বৃদ্ধিও ভালো হয়। 
একে বলা হয় রেসপনসিভ ফিডিং বা খাওয়ানোর বিষয়ে অভিভাবকের দায়িত্বশীল আচরণ। 
এই অভ্যাস শুরু করতে হবে দুই বছর বয়সের আগেই।

অনেকে বলতে পারেন, এত ছোট বয়সে শিশু খিদের কথা কীভাবে বোঝাবে? 
আসলে সরাসরি মুখে না বললেও কিছু ইঙ্গিতের মাধ্যমে বাচ্চারা খাবারের প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ করে। ইঙ্গিতগুলো হলো বাচ্চা মুখের ভেতরে বা এর চারপাশে হাত দিতে থাকবে, 
খাবার চোষার মতো শব্দ করবে, 
পেটে হাত রাখবে, অস্থিরতা করে হাত-পা ছুড়বে। 
এসবেও কাজ না হলে সবশেষে কাঁদবে। 
কান্না কিন্তু সব শেষ লক্ষণ, 
তাই এর আগেই বাচ্চাকে খাওয়ানো উচিত।

আবার বাচ্চা ক্ষুধার্ত বলে অনেক খাবার নিয়ে যত খুশি তত জোর করে খাইয়ে দেওয়া উচিত নয়। বাচ্চার পেট ভরেছে বুঝতে পারলেই খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে। 
জোর করা চলবে না। 
কিছু লক্ষণ দেখে বাচ্চার খিদে মিটেছে কি না, তা-ও বোঝা যায়। 
যেমন বাচ্চা খুব দ্রুত খাওয়া শুরু করেই বন্ধ করে দিচ্ছে, 
বুকের দুধ কিংবা অন্য খাবার আর মুখে দিচ্ছে না, 
থুতু দিচ্ছে বা বমি করে ফেলছে, 
বুকের দুধ ছেড়ে দিচ্ছে, 
মায়ের স্তন বা অন্য খাবার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে, 
আগের চেয়েও ধীরে খাচ্ছে কিংবা ঘুমিয়ে পড়ছে।

যদি এমন হয় যে আপনি ইঙ্গিতে বুঝলেন বাচ্চার খিদে মিটেছে, 
কিন্তু মনে হচ্ছে সে অন্যদিনের তুলনায় কম খেয়েছে, 
তবু জোর করে আর খাওয়ানো উচিত নয়।
শিশুর ভাষা ও ইশারা বোঝার চেষ্টা করুন। 
প্রয়োজনাতিরিক্ত খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না।

ডা. আবু সাঈদ
শিশু বিশেষজ্ঞ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

মৃত ঘোষণা করার পরও আশপাশের সব কথাবার্তা বুঝতে পারেন

হৃৎপিণ্ড থেমে গেছে।
শরীরটা নিথর। চিকিৎসক ঘোষণা দিলেন, তিনি আর বেঁচে নেই। 
এ কথা শুনে শোকে আকুল তাঁর স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। 
কিন্ত এ কথা মৃত ব্যক্তিটিও যে শুনছেন! এমনটাই দাবি করছেন এ নিয়ে গবেষণা করা একদল গবেষক।
বলা হচ্ছে, তাত্ত্বিকভাবে কোনো ব্যক্তির জীবনপ্রদীপ নিভে গেলেও একেবারে ফুরিয়ে যান না তিনি। তাঁর চেতনা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সজাগ থাকে। 
এ জন্য মৃত ব্যক্তি কবরে যাওয়ার আগেও অন্যের কথা শুনতে পান। কিন্তু তাঁর কিছু করার মতো শক্তি বা সামর্থ্য থাকে না।
নিউইয়র্ক শহরের এনওয়াইইউ ল্যাংগোন স্কুল অব মেডিসিনের ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড রেসাসিটেশন রিসার্স বিভাগের প্রধান ড. স্যাম পারনিয়া গবেষণায় এমন তথ্য পাওয়ার কথা দাবি করেন।
 তিনি এবং তাঁর গবেষণা দলের সদস্যরা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত রোগীদের পর্যবেক্ষণ করছেন, যাঁরা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যকারিতার দিক দিয়ে মৃত (টেকনিক্যালি ডেড), কিন্তু পুনরায় বেঁচে উঠেছেন।
 এ ধরনের গবষণার ক্ষেত্রে এটাই সবচেয়ে বড় বলে দাবি করেন তিনি।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এসব রোগী তাঁদের মৃত ঘোষণা করার পরও আশপাশের সব কথাবার্তা বুঝতে পারেন এবং সবকিছু দেখতে পান।
মেডিকেল ও নার্সিং স্টাফরা পরবর্তী সময়ে এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
চিকিৎসকেরা এখানে মৃত্যুর সময় বলতে ঠিক সেই সময়টা বোঝান, যখন থেকে কারও হৃৎস্পন্দন থেমে যায় এবং মস্তিস্কের রক্ত সরবরাহও বন্ধ হয়ে যায়।
ড. স্যাম পারনিয়া বলছেন, ‘যখনই কারও হৃদ্‌যন্ত্র বন্ধ হয়, কারিগরি দিক মেনে ঠিক সেই সময়টিকেই আমরা মৃত্যুর ক্ষণ বলে ধরে নিই। যখনই এটা ঘটে, তখন থেকেই মস্কিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর অর্থ হলো তখন থেকেই মস্তিষ্কের কর্মকাণ্ড থেমে যায়।’
এর আগে ২০১৩ সালে ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের গবেষকেরা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত এবং অসাড় নয়টি ইঁদুরের মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে বৈদ্যুতিক সংকেত পর্যবেক্ষণ করেন। চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করার পরও স্বল্প সময় পর্যন্ত তাঁরা সেখানকার কার্যকারিতা দেখতে পান।

দ্য ইনডিপেনডেন্ট

শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৭

একাদশ শ্রেণির নিবন্ধন কার্যক্রম বর্ধিত

একাদশ শ্রেণির (শিক্ষাবর্ষ: ২০১৭-২০১৮) ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন কার্যক্রম আগামী ১৫/১০/২০১৭ তারিখ পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো।
- শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ

Popular Posts