Recent post

শুক্রবার, ৩০ মার্চ, ২০১৮

চীনের অকেজো স্পেস স্টেশন



মহাকাশে বড় আকারের স্টেশন তৈরির লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা চালাচ্ছে চীন। এর অংশ হিসেবে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে টিয়ানগং-১ নামের একটি বিশাল মডিউল মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে চীন। সে মডিউলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। এখন তা পৃথিবীতে ভেঙে পড়ছে।

বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, চীনের অকেজো মহাকাশ পরীক্ষাগার তিয়ানগং-১ চলতি সপ্তাহান্তে পৃথিবীতে ভেঙে পড়তে পারে। এটির দৈর্ঘ্য ১০ মিটার এবং ওজন ৮ টন। মডিউলটির সঙ্গে চীনের সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে এর পতনের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

তবে বিশেষজ্ঞরা এটি ভেঙে পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে নিষেধ করেছেন। 
কারণ এটি জনবসতিপূর্ণ কোনো এলাকায় পড়বে না।

বিবিসি নিউজকে যুক্তরাজ্যের মহাকাশ সংস্থার প্রধান প্রকৌশলী রিচার্ড ক্রোথার বলেন, বিশাল ওজনের টিয়ানগং-১ মডিউলটি পৃথিবীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়লেও তা থেকে ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি কম। কারণ এটি পৃথিবীতে প্রবেশের আগেই পুড়ে যাবে। 
এর টুকরো অংশ সমুদ্রে পড়তে পারে। এটি কবে ও কখন পৃথিবীতে পড়বে, সঠিক সময় পরে জানা যাবে।

ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির (ইএসএ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৩০ মার্চ থেকে ২ এপ্রিলের মধ্যে যেকোনো সময় টিয়ানগং-১ পৃথিবীতে পড়তে পারে। বিষাক্ত রাসায়নিকযুক্ত ওই স্পেস স্টেশনটি বা কৃত্রিম উপগ্রহটি পৃথিবীতে প্রবেশের আগে আগুনের গোলায় পরিণত হতে পারে। 
এ কৃত্রিম উপগ্রহটিকে পর্যবেক্ষণ করতে গবেষকেরা উন্নত রাডার ও শক্তিশালী টেলিস্কোপ প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন।
 ২০১৬ সালে এর নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর থেকে এটি ধীরে ধীরে পৃথিবীর দিকে ফিরে আসতে শুরু করে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ, ২০১৮

কোনো ত্রুটি খুঁজে দিতে এক লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার দেয় ফেসবুক।



সাম্প্রতিক কেমব্রিজ অ্যানালাইটিকা তথ্য কেলেঙ্কারিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করছেন অনেকে। 
এ নিয়ে ফেসবুকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এমনকি টেসলা, প্লেবয়ের মতো জনপ্রিয় অনেক ব্র্যান্ড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে। 
এ ক্ষতি ঠেকাতে নতুন কিছু উদ্যোগ নিতে দেখা যাচ্ছে ফেসবুককে। কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা প্রাইভেসি সেটিংস আরও উন্নত করছে।

এ ছাড়া ব্যবহারকারীদের আরও নিরাপত্তা দিতে তাদের বাগ বাউন্টি বা সফটওয়্যার ত্রুটি খুঁজে দেওয়ার কর্মসূচিটি বাড়াচ্ছে।

ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে কোনো ত্রুটি আছে কি না, তা খুঁজে বের করতে শুরুতে হ্যাকার বা নিরাপত্তা গবেষকেদের জন্য এ কর্মসূচি চালু হয়েছিল। 
এখন যেসব অ্যাপ্লিকেশন ফেসবুক তথ্যের অপব্যবহার করছে, তাদের সম্পর্কেও ফেসবুককে তথ্য জানিয়ে অর্থ পুরস্কার পাওয়া যাবে।

ফেসবুকের অফিশিয়াল এক ব্লগ পোস্টে বলা হয়েছে, ফেসবুকের বাগ বাউন্টি কর্মসূচি বাড়ানো হচ্ছে। এতে ডেভেলপাররা তথ্যের অপব্যবহার করছে কি না, সে সম্পর্কে ফেসবুককে জানানোর সুযোগ থাকবে। 
এ কর্মসূচি চূড়ান্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। শিগগিরই হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে।

বর্তমানে কেউ যদি ফেসবুক ওয়েবসাইটে কারিগরি কোনো ত্রুটি খুঁজে দিতে পারেন, তবে তাঁকে এক লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার দেয় ফেসবুক।

সম্প্রতি ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর ফোন কল ও বার্তা-সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তার নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগে ফেসবুকের বিরুদ্ধে তিন ব্যবহারকারী যুক্তরাষ্ট্রে একটি মামলা করেছেন।

আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যদি ফেসবুকের ট্র্যাকিং থেকে সুরক্ষিত রাখতে চান তবে তার জন্য বিশেষ সুবিধা যুক্ত করার কথা জানিয়েছে ফায়ারফক্স ব্রাউজার নির্মাতা মজিলা। তাদের দাবি, মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারে ফেসবুক কনটেইনার নামে একটি এক্সটেনশন তৈরি করেছে তারা। এটি ব্যবহারকারীকে ফেসবুকের ট্র্যাকিং থেকে সুরক্ষা দেবে। ফায়ারফক্সের এ এক্সটেনশনটি নীল রঙের একটি ব্রাউজার ট্যাব তৈরি করবে, যা ওয়েবে অন্যান্য কার্যক্রমকে ফেসবুক থেকে আলাদা করবে। এতে ফেসবুক আর অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে পারবে না।

রবিবার, ২৫ মার্চ, ২০১৮

মহান স্বাধীনতা দিবসের ৪৭তম বার্ষিকী আজ


আনন্দ-বেদনার মহাকাব্য যেদিন থেকে চিরকালের জন্য বইতে শুরু করল বাঙালির বুকে, মহান সেই স্বাধীনতা দিবসের ৪৭তম বার্ষিকী আজ। স্বাধীনতার এই দিনে বাঙালি জাতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করবে দেশমাতৃকার জন্য আত্মদান করা বীর সন্তানদের। স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধের সূচনার এই সময়টি জাতি নিবিড় আবেগের সঙ্গে স্মরণ করে।
প্রতিবছর পেছনে তাকিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায় ২৬ মার্চ। স্বাধিকারের দাবিতে জেগে ওঠা নিরীহ বাঙালির ওপর একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চালিয়েছিল নির্মম হত্যাযজ্ঞ। সেই মৃত্যুর বিভীষিকা থেকে এক হয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল দেশের মানুষ।
পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নানা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে শুরু করে বাঙালিরা। সেই পটভূমিতে বায়ান্নতে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধিকারের চেতনার উন্মেষ ঘটে পূর্ব বাংলায়। ধাপে ধাপে তা স্বাধীনতার আন্দোলনে রূপ নেয়।
সামরিক শাসন, শিক্ষা আন্দোলন, ছয় দফার আন্দোলন, গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচনসহ নানা ঘটনাপ্রবাহের ভেতর দিয়ে এগিয়ে আসে একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের আহ্বানে জেগে ওঠে নিরীহ বাঙালি। যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে তারা শত্রুর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রস্তুতি নেয়। ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকায় চালায় বর্বর গণহত্যা। ওই রাতেই গ্রেপ্তার হন বঙ্গবন্ধু। তার আগেই বার্তা পাঠিয়ে দেন স্বাধীনতার ঘোষণার। এরপর গঠিত হয় প্রবাসী সরকার। তাদের নেতৃত্বে সংগঠিত রূপ নেয় মুক্তিযুদ্ধ। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষের আত্মদান, তিন লাখ নারীর সম্ভ্রম আর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় বিজয়। পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের।
মুক্তিযুদ্ধের সময় এ দেশেরই কিছু লোক বিশ্বাসঘাতকতা করে হাত মিলিয়েছিল পাকিস্তানি ঘাতকদের সঙ্গে। তারা অংশ নেয় গণহত্যা, নারী নির্যাতন ও লুটতরাজ-অগ্নিকাণ্ডের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে। সেই চিহ্নিত শত্রুদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর প্রত্যয় নিয়ে চার দশকের বেশি সময় ধরে স্বাধীনতা বা বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার অবশেষে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করে।
মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ছিল বিশাল। বাঙালি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র চেয়েছিল। চেয়েছিল এমন একটি রাষ্ট্র, যা প্রতিষ্ঠিত হবে কিছু আদর্শের ভিত্তির ওপর। স্বাধীনতা দিবস আবার এসেছে অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সেসব আদর্শের দিকে ফিরে তাকানোর দাবি নিয়ে।

বাণী
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাঁর বাণীতে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। এ অর্জনকে অর্থপূর্ণ করতে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে হবে। স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করতে হবে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে হবে।

এ ছাড়া বাণী দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন।

কর্মসূচি

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি। পত্রিকাগুলো বের করেছে বিশেষ ক্রোড়পত্র। বেতার ও টিভি চ্যানেলগুলো প্রচার করছে বিশেষ অনুষ্ঠান। সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে উড়ছে জাতীয় পতাকা।

সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ছাড়াও দিনটি উপলক্ষে আজ সোমবার নানা কর্মসূচি পালন করবে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। আওয়ামী লীগের দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ সোমবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু ভবন, কেন্দ্রীয় ও দেশব্যাপী দলীয় সব কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং সকাল ছয়টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে ও সকাল সাতটায় বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধিদল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে। এ ছাড়া কাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা করবে আওয়ামী লীগ। দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
আজ সকাল আটটায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু-কিশোর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান থেকে সারা দেশে ও বিদেশে একযোগে একই সময়ে শুদ্ধ সুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হবে।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, জাকের পার্টিসহ বিভিন্ন যুব ও ছাত্রসংগঠন দিনটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শ্রমজীবী, পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও নিজ নিজ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করবে।

(প্রথম আলো)

বুধবার, ২১ মার্চ, ২০১৮

Add Chat Button for your website

copy below javascript code and add in your website html.

<!--Start of Tawk.to Script-->
<script type="text/javascript">
var Tawk_API=Tawk_API||{}, Tawk_LoadStart=new Date();
(function(){
var s1=document.createElement("script"),s0=document.getElementsByTagName("script")[0];
s1.async=true;
s1.src='https://embed.tawk.to/58b4e43378d62074c094d230/default';
s1.charset='UTF-8';
s1.setAttribute('crossorigin','*');
s0.parentNode.insertBefore(s1,s0);
})();
</script>
<!--End of Tawk.to Script-->

সোমবার, ১২ মার্চ, ২০১৮

US BANGLA AIRLINES PASSENGERS LIST | কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত হওয়া বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলার বিমানে (বিএস ২১১) ৬৭ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রু ছিলেন।

বিমানের যাত্রীদের তালিকা
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত হওয়া বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলার বিমানে (বিএস ২১১) ৬৭ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রু ছিলেন।

বিমানের যাত্রীদের তালিকা—
রিজওয়ানা আবদুল্লাহ, ফয়সাল আহমেদ, শাহরিন আহমেদ, ইয়াকুব আলী, আলিফুজ্জামান, আলমুন নাহার অ্যানি, বিলকিস আরা, শিলা বাজগাইন, বেগম হারুন নাহার বিলকিস বানু, আলজিনা বড়াল, চারু বড়াল, আক্তার বেগম, মো. শাহীন ব্যাপারী, সোবিন্দ্র সিং বোহরা, বসন্ত বোহরা, সামিরা ব্যঞ্জনকর, প্রবীণ চিত্রকর, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, সাজনা দেবকোটা, প্রিন্সি ধামি, জ্ঞানী কুমারী গুরুঙ, মো. রেজোয়ানুল হক, মো. রকিবুল হাসান, মেহেদী হাসান, ইমরানা কবীর হাসি, মো. কবীর হোসেইন, দিনেশ হুমাগাইন, সানজিদা হক, মো. হাসান ইমাম, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, শ্রেয়া ঝা, পূর্ণিমা লোহানী, মিলি মহারাজন, নিগা মহারাজন, সঞ্জয় মহারাজন, ঝাং মিং, আঁখি মণি, মেহনাজ বিন নাছির, কেশব পান্ডে, প্রসন্ন পান্ডে, বিনোদ রাজ পাদুয়াল, হরিশংকর পাদুয়াল, সঞ্জয় পাদুয়াল, এফ এইচ প্রিয়ক, তামারা প্রিয়ন্ময়ী, মো. মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, আশিষ রঞ্জিত, তাহিরা তানভিন শশী রেজা, পিয়াস রায়, শেখ রাশেদ রুবায়েত, কৃষ্ণ কুমার শাহানী, উম্মে সালমা, আসনা শাকিয়া, সানাম শাকিয়া, অঞ্জিলা শ্রেষ্ঠা, সারোনা শ্রেষ্ঠা, সৈয়দা কামরুন নাহান স্বর্ণা, হরি প্রসাদ সুবেদ, দয়ারাম তাম্রকার, বাল কৃষ্ণ থাপা, শ্বেতা থাপা, কিশোর ত্রিপাঠি, অবদেশ কুমার যাদব, অনিরুদ্ধ জামান, মো. নুরুজ জামান ও মো. রফিকুজ্জামান।

ইউএস বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ৪৯ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এর আগে বার্তা সংস্থাটি নেপালের সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে নিহতের সংখ্যা অন্তত ৫০ বলে উল্লেখ করেছিল। তবে বার্তা সংস্থা এএফপি বলেছে, এই দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৪৯ জন নিহত হয়েছে।

নেপালের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র গোকুল ভান্ডারির বরাত দিয়ে রয়টার্স এর আগে জানিয়েছিল, উড়োজাহাজটির ধ্বংসাবশেষ থেকে ৫০টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নয়জনের খোঁজ মিলছে না। পরে নেপালের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক সঞ্জীব গৌতমের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, ৪৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য ২২ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত ইউএস বাংলার উড়োজাহাজটির ২২ আরোহীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্য নয়জন বাংলাদেশি। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানিয়েছে।

Popular Posts