Recent post

শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২

এক-চীন নীতির প্রতি মার্কিন চ্যালেঞ্জ দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে হবে: সিএমজি সম্পাদকীয়



মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি গত ৩ আগস্ট চীনের তাইওয়ান সফর করেছেন। সফরকালে তিনি একেবারে আজেবাজে কথা বলেছেন। যেমন: তিনি কথিত তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক আইন নিয়ে বলেছেন যে, তাইওয়ানকে যুক্তরাষ্ট্র দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং তাইওয়ানের পক্ষে তারা সবসময় থাকবে ইত্যাদি। তার আগে ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায় পেলোসি এক প্রবন্ধেও কথিত তাইওয়ানের সঙ্গে মার্কিন সম্পর্ক আইন নিয়ে আলোকপাত করেন। তাইওয়ানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ৬টি প্রতিশ্রুতির অজুহাতে তাইওয়ান সফরে আসেন তিনি। তাঁর সফর ‘এক-চীন নীতি’ লঙ্ঘন করেনি বলেও দাবি করেন পেলোসি।




এটি ‘এক-চীন নীতি’কে ঝাপসা এবং ফাঁপা করার মার্কিন অপচেষ্টা। আসলে পেলোসি কথতি যে আইন ও প্রতিশ্রুতির কথা বলেছেন, তা একেবারে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা তৈরি। তা চীন-যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি যৌথ ইস্তাহারে চীনকে দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন এবং এটি এক-চীন নীতিরও লঙ্ঘন। আর এক-চীন নীতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সবসময় মেনে চলে। পেলোসি যেভাবেই তর্ক করেন না কেন- নিজের কুৎসিত মুখ লুকাতে পারবেন না। তিনি আসলে নিজের স্বার্থের জন্য মার্কিন জাতীয় ভাবমূর্তিকে দেউলিয়াত্বের দিকে পরিচালিত করেছেন। তিনি যেভাবেই নিজের দায়িত্ব পাশ কাটাতে চান না কেন, তিনি তাইওয়ান প্রণালীর শান্তি, চীন-মার্কিন সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার বড় ক্ষতি করেছেন। নিজের আচরণকে যেভাবেই হোয়াইটওয়াশ করেন না কেন, পেলোসি একজন স্বার্থপর এবং সমস্যা সৃষ্টিকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তাইওয়ান প্রণালীর শান্তি ও স্থিতিশীলতার বৃহত্তম ধ্বংসকারী তিনি।



বিশ্বে রয়েছে একটি মাত্র চীন; আর তাইওয়ান সে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সরকার হচ্ছে একমাত্র বৈধ সরকার, যে চীনকে প্রতিনিধিত্ব করে। ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৭৫৮ নম্বর প্রস্তাবে তা নিশ্চিত করা হয়েছে। ১৯৭৯ সালে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবেই বলা হয়, গণপ্রজান্ত্রী চীন হল চীনের একমাত্র বৈধ সরকার। আর এ শর্তে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সঙ্গে সাংস্কৃতিক, বাণিজ্যিক ও বেসরকারি সম্পর্ক বজায় রাখত পারে। মার্কিন সরকারের একটি অংশ হিসেবে মার্কিন কংগ্রেসের উচিত্ এক-চীন নীতি মেনে চলা।




বর্তমান মার্কিন প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর অনেক বার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, তারা এক-চীন নীতি মেনে চলবে এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন দেবে না। তবে, তারা যা মুখে বলছে, করছে তার বিপরীত। তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি বাড়ানো, তাইওয়ান নিয়ে নানা বিল পাস, এবং যুক্তরাষ্ট্রের তিন নম্বর ক্ষমতাধর ব্যক্তি পেলোসির তাইওয়ান সফরসহ নানা অপতত্পরতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বার বার এক-চীন নীতিকে ঝাপসা এবং ফাঁপা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। চলতি বছরের দাভোস বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বলেছিলেন, এক-চীন নীতিতে অবিচল থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত্ নয় প্রতারণার মাধ্যমে বা ক্রমবর্ধমানভাবে দুটি চীন প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। পেলোসির মতো মানুষের এমন যৌক্তিক কথা শোনা উচিত্।




তাইওয়ানের পক্ষে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র এটিও পুরোপুরি মিথ্যা। মার্কিন রাজনীতিবিদরা শুধু নিজেদের স্বার্থ বিবেচনা করেন। তারা তাইওয়ানের জনগণের কল্যাণের কথা কখনোই বিবেচনা করেন না। তাই এবার পেলোসির সফরের বিরোধিতা করেছে খোদ তাইওয়ানের জনগণ। তাইওয়ানের নেটিজেনরা বলেছেন যে, তাইওয়ান আবারও মার্কিন রাজনীতিবিদদের নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ অর্জনের যন্ত্রে পরিণত হয়েছে।




তাই যে কোন অজুহাতে পেলোসির তাইওয়ান সফর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন। এটি তাইওয়ান প্রণালীর শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করেছে। যুক্তরাষ্ট্র পেলোসিকে সফরে যেতে দিয়েছে এবং তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভুল সংকেত পাঠিয়েছে। তাই চীনকে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হবে। আর তাতে যে কোন পরিণতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদেরকে দায় নিতে হবে। ইতিহাস স্বাক্ষী যে, প্রতিবারই যুক্তরাষ্ট্র চীনকে উস্কে দেয় এবং অবশেষে মার্কিনীরাই নিজেদের কুফল ভোগ করে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। (শিশির/এনাম/রুবি)




যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ শেখ হাসিনার




সিএমজি বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশে বিরাজমান বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কনফেডারেশন অফ ব্রিটিশ ইন্ডাস্ট্রির (সিবিআই) প্রেসিডেন্ট চেলসির লর্ড করন বিলিমোরিয়া শুক্রবার যুক্তরাজ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিনে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আমন্ত্রণ জানান।



প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, লর্ড বিলিমোরিয়া যুক্তরাজ্যের কারি শিল্পের উন্নয়নে তার কাজ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী ভ্যাকসিন উন্নয়ন গবেষণায় তার সরকারের প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন।



লর্ড বিলিমোরিয়া বার্মিংহাম ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর হিসেবে বাংলাদেশের সাথে উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে তার পছন্দের একটি বিষয়ে বক্তৃতা করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান।



পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এবং যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

হাশিম/শান্তা

বাংলাদেশে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৪৫ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা




বাংলাদেশে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৪৫ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করছেন বলে এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে।
আঁচল ফাউন্ডেশন পরিচালিত ওই সমীক্ষায় দেখা যায়, প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বেশি আত্মহত্যা করছে।

এতে আরও দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ আত্মহত্যার ঘটনা ঢাকা বিভাগে আর সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে।



‘বেড়েই চলেছে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার হার: আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়া কতটা জরুরি?’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শুক্রবার আঁচল ফাউন্ডেশন ওই সমীক্ষার ফল প্রকাশ করে।




সমীক্ষার তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত আট মাসে ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী আত্মহননের পথ বেছে নেন। এদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল, মাদরাসা, নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থী রয়েছেন।




তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন স্কুল শিক্ষার্থীরা। ওই সময় ১৯৪ জন স্কুল শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন কলেজ শিক্ষার্থীরা, যাদের মধ্যে আত্মহত্যা করেন ৭৬ জন। এছাড়া ওই সময়ে ৫০ জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও ৪৪ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।




রহমান/ সাজিদ

How is secure to live in Poland



Most visitors to Poland experience no difficulties. Poland has a low rate of violent crime and a moderate level of street crime. Major cities have higher rates of crime. There is no high risk of terrorism.




Anyway you should be careful about petty theft. Therefore you should keep cash out of sight, especially in crowded areas and tourist spots. This situation is particularly dangerous at main rail stations, in trains, especially overnight sleeper trains, while boarding and leaving trains. The same refers to public transport.




Do not leave valuables in plain sight inside vehicles.




You should choose taxi operators very carefully. You have to avoid unregulated taxi drivers, especially at airports and in other places. They overcharge. Only use official taxi – they have the name and telephone number of the taxi company on the side of the door and on the top of the taxi, a rate card on the window of the vehicle.




Don’t leave drinks or food unattended and beware of accepting drinks from casual acquaintances.




Only change money at banks or legitimate exchange kiosks (kantor). ATMs at commercial banks, large hotels, shopping malls, and airports are safest.




If someone indicates you should pull over or signals that something is wrong with your car, continue driving until you reach a safe spot (a crowded gas station, supermarket, or a police station) to inspect your vehicle.




You can be fined by the police or by the municipal police. You can be fined for:




Crossing the road in dangerous places

Drinking alcohol in public

Going over the speed limit

Driving under the influence (cars, bicycles)

When driving, remember:




Have your seatbelt on

Headlights must be on throughout the year in Poland

Children must be transported in safety seats

Holding your phone while driving is illegal

Note: Report crimes to the local police by calling 997 or 112.

Popular Posts